সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপুরে গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত,মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বক্তব্য নিয়ে আলোচনা। গাজীপুরে শিক্ষানুরাগী হাসান মোহাম্মদ শরীফের ওপর হামলা, নিন্দা ও প্রতিবাদ। কালিয়াকৈরে নারী আইনজীবী ও শিশু কন্যাকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ। সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেলেন প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম)। গাজীপুর পূবাইলে রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’র আড়ালে মাদক বিক্রি, গ্রেপ্তার চারজন। বারহাট্টায় চুরি হওয়া গর্ভবতী গাভী গরু উদ্ধার। কলমাকান্দায় স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে মামলা। কলমাকান্দায় ধানের বস্তার আড়ালে ৬০ প্যাকেট জিরা ও ১১০০ সাবানসহ আটক ১। কালিয়াকৈরে দফায় দফায় হামলা-হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। জারার স্মৃতি বুকে নিয়ে মানবসেবার মাধ্যমে বেঁচে থাকার প্রত্যয় পিতার।

হৃদয় হত্যা মামলায় সাবেক কাউন্সিলর গ্রেপ্তার।

হৃদয় হত্যা মামলায় সাবেক কাউন্সিলর গ্রেপ্তার।

গাজীপুর জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
মোঃ আদনান হাসান টিটু।

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র মো: হৃদয় (২০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে কোনাবাড়ী থানাধীন নছের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার আবুল কালাম আজাদ কোনাবাড়ী থানার নছের মার্কেট এলাকার আব্দুল পালোয়ানের ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগের (সহ-সভাপতি) ‘র দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন। নিহত হৃদয় টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার আলমগর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে। তিনি হেমনগর ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি জীবিকার তাগিদে কোনাবাড়ী এলাকায় থেকে অটোরিকশা চালাতেন। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কোনাবাড়ী-কাশিমপুর সড়কের শরিফ মেডিকেল সংলগ্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন হৃদয়। এ সময় তিনি সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি রাস্তার পাশে সরে দাঁড়ান। এ সময় দায়িত্বে থাকা শিল্প পুলিশের কয়েকজন সদস্য তাকে আটক করে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে পুলিশ কনস্টেবল আকরাম পেছন দিক থেকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই হৃদয়ের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ফুফাতো ভাই মো: ইব্রাহীম বাদী হয়ে কোনাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদও রয়েছেন। কোনাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: আসিফ ইকবাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারা যায়, হৃদয় হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবুল কালাম আজাদ কালের ভিটা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে জিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা